বিজ্ঞাপন

রফিউর রাব্বি আরও বলেন, এই ওসমান পরিবারকে সরকারের এত প্রয়োজন যে তারা (ওসমান পরিবার) ঘাতক, হত্যাকারী, ছিনতাইকারী যা-ই হোক, তাদের রক্ষা করতে হবে, তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এটি সরকারের জন্য প্রয়োজন হলেও জনগণ এটিকে অত্যন্ত খারাপভাবে গ্রহণ করেছে। এই যে বিচার আটকে দেওয়ার পদ্ধতি, এর বিরুদ্ধে জনগণ অবস্থান নিয়েছে। তাই অবিলম্বে ত্বকী হত্যার সঙ্গে সঙ্গে সাগর-রুনি-তনুসহ নারায়ণগঞ্জের সব হত্যাকাণ্ডের বিচারের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, ত্বকীর ঘাতকেরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যত দিন ত্বকী হত্যার বিচার না হবে, তত দিন আন্দোলন চলবে। ত্বকী হত্যার বিচার একদিন হবে। যারা বিচার আটকে রেখেছে, তাদেরও বিচার হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজের দুদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীর শাখাখাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন