default-image

নারায়ণগঞ্জের তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যায় (আদালতে) স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামি সেই সুলতান শওকত ভ্রমরের জামিন আবেদন আবার নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন জানালে শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করেন।

নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের সদস্য আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেই এলাকায় সুলতান শওকতকে সবাই চেনেন। ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর শওকত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি বলেন, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এরপর জামিন পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর ১০ মার্চ সুলতান শওকত আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। এরপর গতকাল সোমবার আদালত তাঁর জামিন আবেদন আবার নামঞ্জুর করেন।

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, সুলতান শওকতের জামিন আবেদন গতকালও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ত্বকী হত্যাকাণ্ডের এক বছরের মাথায় তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান ২০১৪ সালের ৫ মার্চ সংবাদ সম্মেলনে আজমেরী ওসমানসহ ১১ জন মিলে ত্বকী হত্যায় অংশ নেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান তিনি।

ত্বকী হত্যা মামলার আইনজীবী জিয়াউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর সুলতান শওকত উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। তিনি ২০১৪ সালে বিদেশে পালিয়ে যান।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুই দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী শাখা খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দীর্ঘ ৮ বছরেও ত্বকী হত্যায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন