বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণবঙ্গ স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সবুজ। সংগঠনের সমন্বয়কারী সৌরভ গাইন ও কমলেশ বাছাড়ের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ওই সংগঠনের সদস্য দেলোয়ার হোসেন, শাহ জিয়াউর রহমান, আসাদ শেখ প্রমুখ।

default-image

এ সময় বক্তারা আরও বলেন, উপকূলের মানুষকে জিম্মি করে বাঁধ ভাঙার আশায় থাকেন এক শ্রেণির অসাধু জনপ্রতিনিধি ও ঠিকাদারেরা। বাঁধ মেরামতের নামে তাঁরা লাখ লাখ টাকা লোপাট করেন। উপকূলীয় এলাকার মানুষকে বাঁচাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ষাটের দশকের বেড়িবাঁধ প্রায় অর্ধশত বছর ধরে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। এ কারণে সামান্য ঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের কথা শুনলেই আঁতকে ওঠে উপকূলের মানুষ। তারা ঝড়কে ভয় পায় না, উপকূলের মানুষ ভয় পায় বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হওয়াকে। উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকার কারণে ২০০৯ সালে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় আইলায় সাতক্ষীরার আশাশুনি ও শ্যামনগর এবং খুলনার দাকোপ, কয়রা এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। কয়েক বছর সাগরের লোনাপানিতে বন্দী থাকতে হয় হাজার হাজার পরিবারকে। এ সময় টিকতে না পেরে শত শত মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে অন্য এলাকায় চলে গেছে।

বক্তারা বলেন, আইলার সময়ই উপকূলীয় এলাকার ভঙ্গুর বাঁধ টেকসই করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এক যুগেও তা আর হয়নি। এ কারণে সামান্য জোয়ারের পানিতে বাঁধ ভেঙে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। কয়রা, শ্যামনগর, আশাশুনির এমন চিত্র এখন দেশবাসীর কাছে নতুন নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন