বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে আলামিন তাঁর দাদা ইসরাফিলসহ সঙ্গীয় লোকজন নিয়ে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু থানার পাশে তুলা উন্নয়ন অফিসের সামনে পৌঁছালে শহীদুল ইসলাম ও আবু তালেব মিলে ইসরাফিল মোল্লাকে গলা টিপে ধরে এবং গালিগালাজ করতে করতে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে এবং ধাক্কা দিয়ে রাস্তার ওপর ফেলে দেয়। এরপর বাকি আসামিরা চারদিক থেকে তাঁকে (ইসরাফিল) এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। ঠেকাতে গেলে আসামিরা সবাই মিলে চড়াও হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গুরুতর আহত ইসরাফিল মোল্লাকে অচেতন অবস্থায় দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দামুড়হুদা থানা এলাকায় যেকোনো ঘটনায় আসামি শহীদুল ও আবু তালেব নিজেদের জড়িয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করেন। পক্ষপাতমূলক আচরণসহ দালালি করেন বলে এলাকায় জনশ্রুতি আছে। তাঁরা (শহীদুল ও আবু তালেব) অন্য আসামিদের আত্মীয় বা এলাকার লোক না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁদের পক্ষপাতিত্ব করেন। সেই সঙ্গে বিনা উসকানিতে শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা ইসরাফিল মোল্লাকে মারপিট করে খুন করেছেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন