বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হবিবুর থানায় গিয়ে পুলিশকে বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে আমি হত্যা করেছি। আপনারা তাঁর লাশ উদ্ধার করেন।’ তখন পুলিশ তাঁকে আটক করে ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে একটি কক্ষে রুখসানার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায় পুলিশ। পরে পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

আবদুল মান্নান নামের হবিবুর রহমানের এক প্রতিবেশী বলেন, তাঁদের দাম্পত্য জীবন ভালোই কাটছিল। হঠাৎ এমন কী ঘটে গেল! তাঁদের তিন মেয়ে ও দুই ছেলে আছে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে ও এক মেয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। দুই ছেলে ঢাকায় চাকরি করেন।

রানীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। হবিবুর রহমানকে কাল বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন