default-image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁর অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুকে লাইভে এসে কাদের মির্জা এই অভিযোগ করেন। লাইভটি তিনিসহ ১২ জনের ফেসবুকে একসঙ্গে ট্যাগ করা হয়েছে।

কাদের মির্জা ফেসবুক লাইভে অভিযোগ করেন, আজ বেলা ১১টার দিকে তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় আটক তাঁর অনুসারী সিরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজিম উদ্দিন ওরফে মিকনসহ সাতজন কর্মীকে দেখতে যান। থানায় যাওয়ার পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং তাঁকে লাঞ্ছিত করেন। তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা হয়।

তবে কাদের মির্জার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন কোম্পানীগঞ্জে অবস্থানরত সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম কবির। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘তাঁর (কাদের মির্জার) গায়ে হাত দেওয়া তো আমাদের কাজ নয়। উনি থানায় আসার পর আমি তাঁকে বসতে বলেছি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে নানা অভিযোগ করতে থাকেন। তিনি প্রতিদিনই ফেসবুকে লাইভে এসে আমাদের নিয়ে নানা কথা বলেন।’

বিজ্ঞাপন

আবদুল কাদের মির্জা ফেসবুক লাইভে অভিযোগ করেন, ‘আমার সাতজন নেতা-কর্মীকে গত রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি শুনলাম গত রাতে তাঁদের নির্যাতন করেছে থানাতে। আমি বিরোধী দল করেছি, তখনো আমার কর্মীদের ওপর এত নির্যাতন হয়নি। আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, আমাদের পুলিশ প্রশাসনসহ সবাই সম্মান করত, শ্রদ্ধা করত। আজকে আমার অনুসারীদের যেভাবে অত্যাচার করেছে থানায়, এটা ১৯৭১ সালকে হার মানিয়েছে। আমার যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজিম উদ্দিনকে গতরাতে ধরে নিয়ে এমনভাবে নির্যাতন করেছে, সে শোয়া থেকে উঠতে পারছে না।’

কাদের মির্জার অভিযোগ, ‘আমি থানায় তাঁদের দেখতে গেছি। আমি দেখে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা করেছেন অতিরিক্ত এসপি। আমি দশবার বলেছি, আমি উপসচিব মর্যাদার, তুমি আমার গায়ে হাত দাও কেন? সে তারপরও আমার গায়ের ওপর হাত দিয়েছে। এই ওসি আমার সহকারী সাজুর গায়ে হাত দিয়েছে, তাঁকে মারধর করেছে। তাঁর মোবাইল কেড়ে নিয়েছে। আমি আসার পথে তাঁরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন