বন্য প্রাণী গবেষক মো. হাসান আল রাজী রোববার প্রথম আলোকে বলেন, প্রাণীটি এখন জানকীছড়া ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন আটকে থাকার কারণে তার মধ্যে স্বভাবগত কিছু পরিবর্তন এসেছে। শুধু ফল ও মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার কারণে প্রাণীটির দাঁত ও মুখগহ্বরে কিছু ক্ষত তৈরি হয়েছে। এই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে গেলেই বন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাণীটিকে যথাযথ স্থানে অবমুক্ত করা হবে।

সংস্থাটির পক্ষে লজ্জাবতী বানরটির দেখাশোনা করছেন চঞ্চল গোয়ালা নামের এক ব্যক্তি। সোমবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, লজ্জাবতী বানরটি এখন ভালো আছে, সুস্থ আছে। মনে হয়, কয়েক দিন কম খেয়েছে। রোববার একসঙ্গে বেশ ভালো খেয়েছে। পানিও বেশি খেয়েছে। আজ সোমবার জিগাগাছের আঠা ও পোকা খাওয়ানো হয়েছে। বানরটির মাথা ও হাত-পায়ের কিছু ছাল উঠে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বানরটি খাঁচা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করায় এমনটা হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন