বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দরবার সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ও তৈলারদ্বীপ গ্রামে সকাল সাতটায় ঈদের জামাত শেষে পশু কোরবানি দেওয়া হবে। আর সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরিফ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

অন্য যেসব গ্রামে কাল ঈদ উদ্‌যাপিত হবে তার মধ্যে রয়েছে সাতকানিয়ার মির্জারখীল, এওচিয়ার গাটিয়াডেঙ্গা, মাদার্শা, খাগরিয়ার মৈশামুড়া, পুরানগড়, চরতির সুইপুরা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমচড়া, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়ার পুটিবিলা, কলাউজান, বড়হাতিয়া এবং পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির আরও কয়েকটি গ্রাম।

এ ছাড়া পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার কয়েকটি গ্রামে থাকা মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরাও এদিন ঈদ উদ্‌যাপন করবেন।

মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মছউদুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এবার দরবার শরিফে বড় ঈদ জামাত পরিহার করা হয়েছে। অনুসারীরা নিজ নিজ এলাকায় ছোট পরিসরে ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে পশু কোরবানি দেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন