বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের তদারকি না থাকায় পুকুরটির প্রায় এক একর জায়গা দখল করে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। অথচ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬-এর ঙ ধারায় বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে পুকুরটি রক্ষার জন্য মাইকিং করাসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয় না। ৭ জুলাই বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মধ্যনগর বাজারে মাইকিং করে পুকুরের মধ্যে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ৯ জুলাইয়ের মধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়। এই সময় নিজ উদ্যোগে সরিয়ে না নিলে ১১ জুলাই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। উপজেলার মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও মধ্যনগর বাজারের বাসিন্দা নৃপেন্দ্র চন্দ্র রায় (৭২) বলেন, ‘১৯২০ সালে মধ্যনগর বিপি উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর তিন-চার বছর আগে এই পুকুর খনন করা হয়। যখন এলাকায় নলকূপ ছিল না, তখন এলাকার মানুষ এই পুকুরের পানি পান করত। আমি নিজেও ছোটবেলায় এই পুকুরের পানি খেয়েছি এবং সেখানে সাঁতারও কেটেছি।’

এ বিষয়ে ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান বলেন, প্রশাসন পুকুরটি দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বর্ষাকালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। এ কারণে আর অভিযান পরিচালনা করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন