বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: এ জন্য কী করা দরকার?

শাহ সাজেদা: মানুষ সহায়তা নিয়ে আসছেন, এটা ইতিবাচক। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত, দর্শনার্থীরা যাতে দগ্ধ রোগীদের সংস্পর্শে যেতে না পারেন, সেটা দেখা। আর দর্শনার্থীদের আনা সহায়তা একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দিয়ে পরে রোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

প্রথম আলো: রোগীরা বলছেন, তাঁরা দগ্ধ হিসেবে যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন। তবে তাঁদের অন্যান্য উপসর্গেরও চিকিৎসা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

শাহ সাজেদা: দগ্ধ রোগীরা মানসিকভাবে অনেকটা ট্রমায় আছেন। যে ভয়াবহ ঘটনা থেকে তাঁরা বেঁচে ফিরেছেন, তা নিয়ে তাঁরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। অনেক দগ্ধ রোগীকে দেখেছি, শরীরের যন্ত্রণায় কাঁদছেন আর নিখোঁজ স্বজনদের জন্য বিলাপ করছেন। আবার কেউ কেউ রাতে ঘুমাতে পারছেন না। ঘুমালেও আঁতকে উঠছেন। গভীর শোক, ভয় থেকে এটা হচ্ছে। এ ভয় তাঁদের মনোজগতে প্রবলভাবে ক্ষত তৈরি করেছে। এ জন্য শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি এখন তাঁদের মানসিক চিকিৎসাও জরুরি।

প্রথম আলো: এ ব্যাপারে কী করা যেতে পারে?

শাহ সাজেদা: আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। এখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন একজন। তিনি গত বছর অবসরে যাওয়ার পর থেকে মানসিক রোগ বিভাগটি বন্ধ। এরপর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করে দেখেছি, সেখানে মনোবিজ্ঞান বিষয় নেই। তাই এ মুহূর্তে জরুরি হচ্ছে, এই দগ্ধ রোগীদের মানসিক চিকিৎসা দিয়ে ট্রমা থেকে বের হতে সহায়তা করা। ঢাকা থেকে অন্তত দুজন হলেও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞকে এখানে পাঠানো এবং এই রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োগ করা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন