বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে  বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করার পর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তিনি ওই স্কুলছাত্রীকে (১৬) অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের নাম বলেন।

ওসি আরও বলেন, কামাল হোসেন ছাড়াও দলবদ্ধ এই ধর্ষণে জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বেগমগঞ্জের নরোত্তম গ্রামের আবদুল্লা আল-মামুনসহ চারজন তাঁকে অপহরণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে কামাল ও আবদুল্লা আল-মামুন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই ছাত্রী বলে, এ আসামিরা গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে টাঙ্গাইলের শহিদপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়েও তাঁরা এবং আরও কয়েকজন তাকে ধর্ষণ করেন। আসামিরা ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে তা সামাজিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে তাঁকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন।

ওই ছাত্রী আরও বলে, ৯ নভেম্বর কৌশলে সে টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে পালিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। এরপর গত রোববার রাতে থানায় সে চারজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। ওই চার আসামি হলেন আবদুল্লা আল-মামুন, কামাল হোসেন, মো. নাছের (২৮) ও মো. ফরহাদ (২৭)।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন