বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই পাঁচ প্রার্থী আগে ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর অনুসারী ছিলেন। বর্তমানে তাঁরা ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ ও যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুজিবর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরীর অনুসারী।

ঘারুয়া ইউপির চেয়ারম্যান সফিউদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘স্থানীয় সাংসদ নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে যোগ দেওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে আমাকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছিল। যদিও কেন্দ্র থেকে আমাকে বহিষ্কার করেনি। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগ কোনো সভা–সমাবেশে আমাকে ডাকে না। এ জন্য আমার মনে হয়েছে দলের কাছে মনোনয়ন চাইলেও সেটি কেন্দ্রে পাঠানো হবে না। তাই দলের কাছে মনোনয়ন চাইনি।’

আজিমনগর ইউপির চেয়ারম্যান মোতালেব মাতুব্বর জানান, তিনি কাজী জাফরউল্লার সঙ্গে ছিলেন। ২০১৬ সালে দলীয় মনোনয়নের জন্য তাঁকে বড় ধরনের আর্থিক বাণিজ্যের মুখে পড়তে হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এ জন্য ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরই তিনি সাংসদ নিক্সনের পক্ষে যোগ দেন।

নুরুল্লাগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সৈয়দ শাহিন আলম বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে নিক্সন চৌধুরী নৌকা প্রতীক না পাওয়া পর্যন্ত তাঁর একজন কর্মী হয়ে আমি নৌকা চাইতে পারি না।’

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজী জাফরউল্লাহকে পরপর দুবার পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফরিদপুর-৪ আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন নিক্সন চৌধুরী। যদিও নিক্সন চৌধুরী পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুর রহমান জানান, ওই পাঁচ ব্যক্তির কোনো নীতি কিংবা আদর্শ নেই। রাজনীতিতে তাঁদের কোনো কমিটমেন্ট নেই। তাঁরা হয়তো মনে করেন বর্তমান সাংসদের সঙ্গে থাকলে তাঁরা সুযোগ-সুবিধা বেশি পাবেন। এ আশায় ‘নগদ নারায়ণের’ লোভে ওই পাঁচ ব্যক্তি এ কাজ করেছেন।

তৃতীয় ধাপে ভাঙ্গার ১২টি ইউপিতে ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। ৪ নভেম্বর যাচাই–বাছাই শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১১ নভেম্বর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন