default-image

পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে এক কৃষকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম নাসরুল আলম হাওলাদার (৪৫)। বাড়ি উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ নাসরুলের বসতঘরসংলগ্ন রান্নাঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে নাসরুলের বড় ছেলে এমরান হোসেন (২২) নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তিনি নিখোঁজ না পলাতক, বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নাসরুল আলম হাওলাদার কৃষিকাজের পাশাপাশি গ্রামে হাঁস-ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ছোট ছেলে ইলিয়াস (২০) ঢাকায় থাকেন। স্ত্রী রীনা বেগম (৪০) ও বড় ছেলে এমরান হোসেনকে নিয়ে নাসরুল বাড়িতে থাকতেন।

এ ঘটনার পর থেকে নাসরুলের বড় ছেলে এমরান হোসেন (২২) নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তিনি নিখোঁজ না পলাতক, বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহখানেক আগে নাসরুল কিছু জমি বিক্রি করেছেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে এমরানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি। আজ সকালে স্ত্রী রীনা বেগমের ডাক-চিৎকারে বাড়ির আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখেন, ঘরে প্রচুর রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে। আর ঘরসংলগ্ন রান্নাঘরে রক্তাক্ত একটি বস্তার মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে বস্তার মুখ খুলে নাসরুলের গলাকাটা লাশ দেখতে পায়। পরে বস্তাবন্দী অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দিন জানান, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। নিহত নাসরুলের ছেলে এমরান নিখোঁজ রয়েছেন। নাসরুলের স্ত্রী রীনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0