বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পরিবর্তিত প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহী প্রার্থীদের তালিকা আমরা উপজেলা ও জেলা কমিটির মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। সে অনুযায়ী মোসা. মিনু বেগম প্রথমে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে মোসা. মিনু বেগমের আগে একবার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা কেন্দ্র জানতে পেরে সিদ্ধান্ত বদলায়। পরে কেন্দ্র আমাকে নৌকা প্রতীকের দলীয় মনোনয়ন দেয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি মাঠে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।’

প্রার্থিতা হারানো মোসা. মিনু বেগম বলেন, ‘দলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন ষড়যন্ত্র করে আমার নৌকা প্রতীক ছিনিয়ে নিয়েছে। অথচ এলাকায় আমার প্রচুর জনপ্রিয়তা আছে।’

তবে আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থীর সম্পর্কে ওই ইউনিয়নের কমপক্ষে পাঁচজন বাসিন্দা বলেন, নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় থাকেন। এলাকার লোকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই। জরুরি প্রয়োজনে ফোন করলেও তাঁকে পাওয়া যায় না। অথচ তিনিই এখন নৌকার প্রার্থী।

প্রার্থিতা হারানো মোসা. মিনু বেগম বলেন, ‘২০১৬ সালের নির্বাচনে পদুয়া ইউপি থেকে বিজয়ী চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার আমার স্বামী। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর উপনির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন চাই। কিন্তু দল আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। কিন্তু ভোটারদের আগ্রহের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আমি ২০১৮ সালের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আমি নৌকা প্রতীক পেয়েছিলাম। কিন্তু দলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন ষড়যন্ত্র করে আমার নৌকা প্রতীক ছিনিয়ে নিয়েছে। অথচ এলাকায় আমার প্রচুর জনপ্রিয়তা আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন