বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ছাত্রীর প্রতিবেশীদের ভাষ্য, জান্নাতুল মাওয়া প্রায় দেড় মাস আগে নোয়াখালী সদরের ইমন নামের এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। বিয়ের আগে ইমন জান্নাতুল মাওয়াকে বলেছিল, তাঁর ১০ তলা বাড়ি ও গাড়ি আছে। তবে পালিয়ে বিয়ের পর জান্নাতুল মাওয়া ইমনের বাড়িতে গিয়ে দেখে সেখানে একটি দোতালা ঘরছাড়া আর কিছুই নেই। এরপর ইমন জান্নাতুল মাওয়াকে কিছুদিন প্রায় জিম্মি করে রাখেন। পরে একপর্যায়ে জান্নাতুল মাওয়া তাঁর বাবার বাড়িতে ফিরে এসে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সম্প্রতি ইমন ক্ষুদ্ধ হয়ে জান্নাতুল মাওয়ার ব্যক্তিগত কিছু ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর মধ্যে গতকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে নিজ বাড়ির একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে জান্নাতুল আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন। খবর পেয়ে পুলিশ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ওই কক্ষের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

জান্নাতুল মাওয়ার মা মর্জিনা বেগম বলেন, তিনি তাঁর মেয়ের কাছ থেকে প্রেম ও বিয়ের কথা শুনেছেন। কিন্তু নোয়াখালী যাওয়ার ব্যাপারে তিনি জানেন না। অন্যদিকে ইমনের নামটি ছাড়া তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানেন না তিনি।

দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ ফারুক আহমেদ বলেন, ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। এসএসসি পরীক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন