default-image

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারঘোষিত ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ আজ রোববার পঞ্চম দিন চলছে। সকাল থেকেই কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছোট যানবাহনের চলাচল বেড়েছে। তবে কমেছে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল সংখ্যা।

এদিকে উপজেলার বাজারগুলোয় সব ধরনের পণ্যের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা কমেছে। লকডাউনের আগে ক্রেতারা বিপুল পরিমাণে নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনায় ক্রেতারা বাজারে তেমন আসছেন না।

জরুরি কাজে বের হওয়া ঢাকা ও কুমিল্লাগামী যাত্রীরা মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও মাইক্রোবাসে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জের মুদি দোকানদার রোকন মিয়া বলেন, লকডাউন শুরু হওয়ার আগের দিন অসংখ্য ক্রেতা ছিলেন। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে ক্রেতা কমে যাচ্ছে।

বাঙ্গি বিক্রেতা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের আয়েত আলী বলেন, লকডাউনের প্রথম কয়েক দিন বিক্রি ভালো ছিল। শনিবার সকাল থেকে বিক্রি কমে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মাসুদ আলম ও আজিজুল হক জানান, লকডাউনে বাজার ভালো। পুলিশ সমস্যা না করলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজা থেকে ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকায় সারা দিন চালাতে পারলে কয়েক হাজার টাকা পাওয়া যায়।

দুপুর ১২টায় দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কথা হয় ঢাকাগামী পিকআপ ভ্যানের চালক ইব্রাহিম খলিলের সঙ্গে। তিনি বলেন, লকডাউনের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল কমে গেছে এবং ছোট ছোট যানবাহন চলাচল বেড়েছে।

চান্দিনার নূরীতলা গ্রামের বাসিন্দা দীপক মজুমদার ও তাঁর স্ত্রী সুমা রানী মজুমদার বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল করায় জরুরি কাজে বের হলে গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যা হয় না।

দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহমেদ বলেন, লকডাউনে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যাত্রী ও চালকদের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন