কুমিল্লার হোমনা উপজেলার আশাদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. লিয়ন নারায়ণগঞ্জে চাকরি করেন। তিনি সাইনবোর্ড থেকে স্বজনদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল সোয়া আটটায় সাইনবোর্ড থেকে ভাবি, ছোট বোন ও ভাইয়ের দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে সুরমা সুপার সার্ভিস নামের বাসে উঠি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুরে এসে যানজটে আটকা পড়ি। যানজট পেরিয়ে বেলা সোয়া ১১টায় দাউদকান্দির গৌরীপুরে পৌঁছাই। রোজার মধ্যে প্রচণ্ড গরমে যানজটে পড়ে অতিষ্ট হয়ে গেছি।’

default-image

মাইক্রোবাসচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে এমনিতেই অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের মধ্যে চার লেনের সংস্কারকাজ চলমান থাকায় এ যানজট দেখা দিয়েছে। পাপিয়া পরিবহনের বাসচালক মুক্তার হোসেন বলেন, সড়ক সংস্কারকাজের কারণে যানজট দেখা দিয়েছে। যানজটে পড়ে সময় ও তেল দুটোই বেশি লাগছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শিপন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা-পুলিশ নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কুমিল্লার সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সালেহ বলেন, সংস্কারকাজের জন্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে না। বরং, যানবাহনের চালকদের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার কারণে যানজট দেখা দিচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন