default-image

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা সদর-কদমতলী সড়কের কেডিসি-সংলগ্ন পাকা সেতুটি দুই বছর আগে ভেঙে যায়। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর থেকে সড়ক দিয়ে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তিন মাস আগে কার্যাদেশ দিলেও তারা কাজ শুরু করছে না।

স্থানীয়রা বলেন, গোমতীর শাখা নদীর ওপর নির্মিত দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়নের পাকা সেতুটি ইটভর্তি ট্রাক্টর পারাপারের সময় ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে লোকজন প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে নৌকাযোগে নদীপথ ঘুরে যাতায়াত করছেন। এতে তাঁদের অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হচ্ছে, সময়েরও অপচয় হচ্ছে। এ সেতু দিয়ে দাউদকান্দি পৌর এলাকা, দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়ন, তিতাস ও মেঘনা উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জনগণ নিয়মিত যাতায়াত করতেন।

বিজ্ঞাপন

দাউদকান্দির হাসনাবাদ গ্রামের গৃহবধূ রুবি আক্তার বলেন, দিনের বেলা তাও যাতায়াত করা যায়। কিন্তু রাতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অসুস্থ রোগী বা শিশুদের নিয়ে যাতায়াত করা বিপজ্জনক। স্থানীয়রা বলেন, যাতায়াতের সুবিধার্থে গ্রামবাসী পরিবারগুলো থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী ২০০ থেকে ৫০০ টাকা উত্তোলন করে ভেঙে যাওয়া পাকা সেতুর পাশে গত ১ অক্টোবর একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে। কিন্তু নদীর প্রবল স্রোতে বাঁশের সাঁকোটি তেমন টেকসই হয়নি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দাউদকান্দি উপজেলা কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন সেতু নির্মাণের দরপত্র আহ্বান ও কার্যাদেশ হয়েছে। গত ২৬ জুলাই মেসার্স এমইঅ্যান্ডডিসিএল (জেভি) নামের প্রতিষ্ঠানকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0