default-image

ফেনীর দাগনভূঞায় এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে করিম উল্যাহ মহাজন (৪৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। করিম উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মোমারিজপুর গ্রামের বাসিন্দা। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী শুক্রবার বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম এমরানের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ওই কিশোরী (১৫) পরিবারসহ দাগনভূঞা উপজেলা সদরের একটি এলাকায় ভাড়া বাসায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করে। অভিযুক্ত করিম তাদের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। এই সুবাদে তিনি মাঝেমধ্যে তাদের বাসায় আসা–যাওয়া করতেন। একপর্যায়ে করিম ‘গুপ্তধন’ পেয়েছেন বলে কিশোরীকে স্বর্ণ ও টাকাপয়সা দেওয়ার প্রলোভন দেখান। এতে ওই কিশোরী রাজি না হওয়ায় তাকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর বাসা থেকে বাইরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি দেরিতে জানাজানি হলে গতকাল বৃহস্পতিবার ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দাগনভূঞা থানায় করিম উল্যাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ বৃহস্পতিবারই করিমকে গ্রেপ্তার করে।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ম. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0