ইয়াছমিন আকতার ডিঙ্গললঙ্গা এলাকার আবুল বাশারের মেয়ে। নুরুল আজিম কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানার খন্তাকাটা এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।

পুলিশ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আজিমকে আদালতের মাধমে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ছাড়া দগ্ধ ইয়াছমিনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইয়াছমিন আকতারের সঙ্গে নুরুল আজিমের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছু দিন আগে ইয়াছমিন জানতে পারেন আজিম বিবাহিত। এরপর সম্পর্ক থেকে সরে আসেন ইয়াছমিন। এতে ক্ষিপ্ত হন আজিম। এরপর গভীর রাতে দেখা করার কথা বলে এসে ঘরের জানালা দিয়ে ইয়াছমিনের শরীরে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান আজিম।

ইয়াছমিনের বড় ভাই আবু তাহের বলেন, ‘রাত ২টার দিকে হঠাৎ করে আমার বোনের চিৎকার শুনতে পেয়ে তাঁর কক্ষে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি তাঁর শরীরের অর্ধেক অংশ ঝলসে গেছে।’ অভিযুক্ত আজিম জানালা দিয়ে ইয়েছমিনের শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জানতে চাইলে রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খান নূরুল ইসলাম বলেন, ওই তরুণীর চোখ, মুখ ও বুক দাহ্য পদার্থে ঝলসে গেছে। অভিযুক্ত নুরুল আজিমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন