বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ বলেন, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। একটা সময় মানুষ বলত, বিদ্যুৎ কখন আসবে। আর এখন মানুষ বলে, বিদ্যুৎ কখন যাবে। সরকার দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। ডিজিটাল যুগে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার শুরু হলে বিদ্যুতের সাশ্রয় হবে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ চুরি রোধ করা সম্ভব হবে।

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড দিনাজপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুর রহমান বলেন, মানুষ আগে বিদ্যুতের ব্যবহার করেছে। পরে বিল পরিশোধ করেছে। এতে অনেকেরই বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকছে। বিশেষ করে দিনাজপুর পৌরসভার প্রায় ১২ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। এই মিটার স্থাপনের পর গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহারের আগেই বিল পরিশোধ করবে। এতে বিদ্যুতের অপচয় রোধ হবে এবং মানুষ সচেতন হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।/

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, দিনাজপুর পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, প্যানেল মেয়র আবু তৈয়ব আলী, স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার প্রকল্পের পরিচালক মাহাবুবুল আলম প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন