বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাখাল চন্দ্র ও শ্যামল চন্দ্র দুজন আপন ভাই। বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের মায়ের মালিকানাধীন কয়েক শতক জমির ভাগাভাগি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর মধ্যে বড় ভাই শ্যামল চন্দ্র চান, মা জীবিত থাকতেই জমি ভাগাভাগি করা হোক। কিন্তু ছোট ভাই রাখাল সেই প্রস্তাবে রাজি হননি।

এদিকে আজ সকালে রাখালের স্ত্রীর সঙ্গে শ্যামল ও তাঁর স্ত্রীর তর্ক বাধে। একপর্যায়ে শ্যামলের স্ত্রী রাখালের স্ত্রীর ওপর চড়াও হলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় শ্যামল-রাখালের চাচি এসে বিরোধ মিটিয়ে দেন। এর প্রায় ঘণ্টা দেড়েক পরে রাখালের চাচি খেতের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শ্যামল, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে ওই নারীর পথ রোধ করেন। এতে সেখানে আবার ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

দূর থেকে এ দৃশ্য দেখে চাচিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে শ্যামল চন্দ্র একটি স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে প্রথমে রাখালকে ভয় দেখান। একপর্যায়ে শ্যামল স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে রাখালের মাথায় আঘাত ও বুকে গেঁথে দিলে রাখাল মাটিতে পড়ে যান। এ সময় স্থানীয় লোকজন রাখালকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত ব্যক্তির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির বুকে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিবার থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন