বিজ্ঞাপন

মহব্বতপুর গ্রামের কৃষক হাসেম আলী (৪৮) জানান, তিনি ৪৫ শতক মাটিতে আগাম আলু লাগিয়েছেন। ঠিকমতো ফলন হলে ৯৫-১০০ মণ আলু পাওয়া যাবে। বর্তমানে বাজারে আলুর চাহিদার তুলনায় জোগান কম। সে ক্ষেত্রে প্রথম দিকে নতুন আলু বাজারে আনতে পারলে ভালো দাম পাবেন তিনি। সব মিলিয়ে ৪০ শতক মাটিতে ২০-২৫ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন হাশেম আলী।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত মৌসুমে জেলায় আলু চাষ হয়েছিল ৪৪ হাজার হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন ছিল প্রায় ৯ লাখ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে আগাম আলু চাষ হয়েছে প্রায় সাড়ে দশ হাজার হেক্টর জমিতে। এ জেলায় সবচেয়ে বেশি চাষ হচ্ছে গ্যানেলা, কার্ডিনাল ও স্ট্রারিক্স জাতের আলু।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তৌহিদ ইকবাল বলেন, সম্প্রতি আলুর দাম বাড়ায় আলু চাষে কৃষকেরা উদ্বুদ্ধ হয়েছেন বেশি। সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বরে আলু চাষ শুরু হলেও এবার অনেকেই সেপ্টেম্বরের শুরুতে গ্যানেলা জাতের আলু লাগিয়েছেন। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে নতুন আলু উঠবে। তখন আলুর দামও কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন