বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. সাইফুল ইসলাম (৪২)। তিনি পার্বতীপুর উপজেলার শিংগীমারী তকেয়াবাজার (জমিরহাট) এলাকার বাসিন্দা। বেকসুর খালাস পাওয়া আফজাল হোসেনও একই এলাকার বাসিন্দা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর দুপুরে বাড়ির পাশে অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে খেলার সময় ওই শিশু নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে রাতে শিশুটির বাবা পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরের দিন ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের হলুদ খেত থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করেন এলাকাবাসী।

পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২০ অক্টোবর রাতে শিশুর বাবা বাদী হয়ে সাইফুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে দুই আসামিই পলাতক ছিলেন। ২৫ অক্টোবর দিনাজপুর শহরের ইদগাহবস্তি এলাকা থেকে সাইফুল ও আফজালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। প্রায় পাঁচ বছর মামলার বিচার কার্য শেষে আদালত আজ এই মামলার রায় দেন।

মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন তৈয়বা বেগম। মামলায় ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ আদালতের আদেশ জানতে পেরে শিশুটির বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেটা যেন আর কারোর মেয়ের সঙ্গে না ঘটে। আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন