বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত সোমবার রাতে চিরিরবন্দর থানায় অপহরণ হওয়া জাহাঙ্গীরের চাচা খলিলুর রহমান অপহরণের অভিযোগ আনলে থানা-পুলিশ সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় অপহরণকারীদের আটক করে। পরে গত মঙ্গলবার রাতে অপহরণের ঘটনার শিকার হওয়া জাহাঙ্গীর আলম নিজেই মামলার বাদী হন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপিসহ তিন সদস্য, গাড়িচালক, সিআইডির কাছে অভিযোগকারী ফসিহ উল আলম ও আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ওই পাঁচ আসামি হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের আরেফিন শাহ (৪০), সদর উপজেলার উপশহর এলাকার খেড়পট্টি গ্রামের মো. সোহেল (৩২), চৌরঙ্গী বাজার সুইহারি এলাকার মো. রিয়াদ (৩৫), ২ নম্বর উপশহর এলাকার মো. সুমন (৪০) ও একই এলাকার মো. জাহিদ (৩৭)। আর সিআইডির তিন সদস্য হলেন রংপুর সিআইডির এএসপি মো. সারোয়ার কবির, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক।

এদিকে গতকাল রাত ১১টা পর্যন্ত ফসিহ এবং অপহরণের শিকার হওয়া মা জহুরা বেগম, ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ পাঁচজনের বক্তব্য রেকর্ড করেন দিনাজপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (চিরিরবন্দর-৪) আদালতের বিচারক শিশির কুমার বসু। বাকি দুজন হলেন সিআইডির সদস্যদের মুক্তিপণ দিতে যাওয়া জহুরা বেগমের জামাতা কামরুল হক ও আত্মীয় আফতাবুজ্জামান।

ডিবির ওসি মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বের করা হবে।

সোমবার রাতে সিআইডির তিন সদস্য ফসিহর অভিযোগের ভিত্তিতে চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের লুৎফর রহমানকে ধরতে যান। তাঁকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে বাড়ি থেকে তুলে নেন। পরে মুক্তিপণ দাবি করেন। লুৎফর রহমানের স্বজনেরা মুক্তিপণের টাকা নিয়ে অপহরণকারীদের কাছে গেলে এলাকাবাসী তাঁদের ধরে থানায় সোপর্দ করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন