default-image

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালার ইউএনওর বাসভবনে সশস্ত্র আনসার সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে আনসারের চারজন সদস্য নিয়োগ করা হয়।

আজ দুপুরে উপজেলা পরিষদের পাশে ইউএনওর বাসভবনের সামনে গিয়ে দেখা যায়, রাইফেল নিয়ে বাসভবনের প্রধান ফটকে আনসারের দুজন সদস্য পাহারায় রয়েছেন। দায়িত্বরত আনসার সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আজ আমরা চারজন যাচাই–বাছাইয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছি। নিয়োগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা আনসার–ভিডিপি কার্যালয় থেকে আমাদের ইউএনও স্যারের বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রোকেয়া পারভিন প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তর এবং জেলা অ্যাডজুট্যান্টের দপ্তর থেকে মুঠোফোনে পাঠানো জরুরি বার্তায় ইউএনওর সরকারি বাসভবন ও প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন আনসার সদস্য নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে ৭০ দিনের অস্ত্র চালানো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্মার্টকার্ডধারীদের মধ্যে থেকে বাছাই করে জরুরি ভিত্তিতে চারজনকে নিয়োগ করা হয়েছে। এ জন্য আনসার সদস্যদের কাছে দুটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও ২০টি গুলি পাঠানো হয়। নিয়োগ পাওয়া চারজন সদস্যকে শুক্রবার দুপুর থেকে সশস্ত্র অবস্থায় ইউএনওর বাসভবন ও প্রশাসনিক ভবনের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে। আগামী রোববার আরও ছয়জনকে নিয়োগ করা হবে।

দীঘিনালার ইউএনও মোহাম্মদ উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় থেকে চারজন আনসার সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যরা আমার বাসভবন ও প্রশাসনিক ভবনের নিরাপত্তায় সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।’

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন