বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুর্গম ধনুদ্ধর কার্বারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুচিত্রা চাকমা (৩৮) ও শান্তিলতা চাকমা (৩৫) বলেন, ‘বাবুছড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নেই। আমাদের অসুখ-বিসুখে ১৮ কিলোমিটার দূরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়।’

মেরুং ইউনিয়নের রেংক্যার্যা জব্বার নগরের আইনুল ইসলাম ও দাঙ্গাবাজার এলাকার বাসিন্দা বিন্দু চাকমা বলেন, ‘আমাদের এলাকা থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। মেরুং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক থাকলে আমরা চিকিৎসাসেবা পেতাম। এখন চিকিৎসাসেবা পেতে আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।’

মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রহমান কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে ৬০ হাজার মানুষের বসবাস। এ ইউনিয়নে দুটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় ইউনিয়নবাসী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দূরদূরান্ত এলাকার লোকজনকে চিকিৎসাসেবা পেতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়।’

বাবুছড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সন্তোষ জীবন চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাবুছড়া ইউনিয়নে ৪৪ হাজার মানুষের বসবাস। এ ইউনিয়নের লোকজন অনেক দুর্গম এলাকায় বসবাস করে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক না থাকায় দুর্গম এলাকার লোকজন কষ্ট করে উপজেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নেন। গুরুত্ব বিবেচনা করে এ ইউনিয়নে চিকিৎসক পদায়ন জরুরি। আমি বিভিন্ন সভাতেও বিষয়টি তুলে ধরেছি।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তনয় তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইউনিয়নের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক না থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের চাপ বেশি। মেরুং ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক থাকলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক না থাকায় তাঁকে এখানে এনে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এখন সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন রুটিন করে উপসহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তারা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেন। আমরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক পদায়নের জন্য বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে যাচ্ছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন