বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে ৬০ জন সদস্য নিয়ে মেলান্দহ উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি নামে এ পাঠাগার যাত্রা শুরু করে। প্রথম দিকে ওই সদস্যদের মাসিক চাঁদায় পাঠাগারটি পরিচালিত হতো। পরে সদস্যরা চাঁদা দেওয়া বন্ধ করে দেন। তখন পাঠাগারটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে পাঠাগারটি পরিচালনার দায়িত্ব নেয় মেলান্দহ পৌরসভা। পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু তিন বছর ধরে পুরো কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে পাঠাগারটি তালাবদ্ধ রয়েছে।

উপজেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যকার আসাদুল্লাহ ফরাজি বলেন, ১৯৮৮ সালে তিনিসহ কয়েকজন মিলে এ পাঠাগারের উদ্যোগ নেন। একটি পাঠাগার ব্যক্তি উদ্যোগে চালানো খুব কঠিন। উপজেলা প্রশাসন থেকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। পাঠাগার চালাতে হলে অন্তত একজন গ্রন্থাগারিক, পিয়ন ও পাহারাদার লাগে। টাকা না থাকায় সে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এদিকে পাঠাগারের বিভিন্ন বিল পরিশোধ করা যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে পাঠাগারটি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গণগ্রন্থাগারটি সরকারিভাবে বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি তিনি এখানে যোগদান করেছেন। তিনি নতুন করে পাঠাগারটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন। ওই পুরোনো ভবন সংস্কার করে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন