বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকার তিনজন বাসিন্দা বলেন, কাঁচা সড়কে তবু চলাচল করা যেত। সড়ক পাকা হওয়ার পরে পুকুরে ধসে পড়ায় এখন চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। এ সড়কে আগে ভ্যান, অটো, সিএনজি ও মোটরসাইকেল চলাচল করলেও এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চান।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ১৫০ মিটার সড়কটি নির্মাণের কাজ পায় সিরাজগঞ্জের তন্ময় এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চলতি বছরের ১৫ মে কাজ শুরু হয়ে ৩০ জুলাই সড়কটি নির্মাণের কাজ শেষ হয়। বৃষ্টির কারণে কিছুদিন আগে জলিলনগর মোড় থেকে নাজির উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত ৫০ মিটার সড়ক পুকুরে ধসে পড়েছে। সেই সঙ্গে ভেঙে পড়েছে গাইডওয়াল। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণকাজ করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তন্ময় এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এম এ আল বাকি বলেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে রাস্তাটি ধসে গেছে। বর্ষার পর সড়কটি আবার সংস্কার করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সায়েদ বলেন, রাস্তাটিতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা এবং কিছু অনিয়ম হওয়ার অভিযোগ ওঠায় মাঝখানে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরে কাজ শেষ করা হয়। তবে ধসে পড়া অংশটুকু বর্ষা শেষে মেরামত করে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন