বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কদমতলা বাজার মসজিদে সিহাব হোসেন তাঁর সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান করছিলেন। একই সময় সেখানে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ খান লোকজন নিয়ে সেখানে যান। এ সময় দুই প্রার্থীর লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১৯ জন এবং পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবদুস সোবাহান আহত হন।

আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতাল ও নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পিরোজপুর সদর হাসপাতাল থেকে আহত মিজান শেখ ও মুনান খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তন্ময় মজুমদার বলেন, গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান হানিফ খান বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কদমতলা বাজারে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গেলে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সিহাব শেখ লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিহাব হোসেন শেখ বলেন, ‘শনিবার রাতে নামাজ পড়ার সময় লোকজন আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় হানিফ খানের নেতৃত্বে মারধর ও বোমা হামলা করা হয়।’

পিরোজপুর সদর থানার ওসি এ জেড এম মাসুদুজ্জামান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের পরিদর্শক সোবাহান আহত হন। সংঘর্ষে জড়িত থাকায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে কদমতলা বাজারে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। ১৮ মার্চ রাতে নিকারিরহাটে সিহাব হোসেন শেখের লোকজনের হামলায় হানিফ খানের তিন সমর্থক আহত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন