বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে তিমির মৃত্যুর কারণ, বালুচরে দেহ পুঁতে ফেলা ও কঙ্কাল সংরক্ষণের জন্য ৯ এপ্রিল রাতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিন আল পারভেজকে প্রধান করে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন। কমিটিতে পরিবেশ, বন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির কাজ কত দূর, জানতে চাইল কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিন আল পারভেজ আজ বুধবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, লকডাউনের কারণে নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তিমি দুটির শরীরে পচন ধরেছিল, ছড়িয়ে পড়ছিল দুর্গন্ধ। তাই নমুনা সংগ্রহের পর সৈকতের বালুচরে তিমি দুটি পুঁতে ফেলা হয়েছে। দুই-তিন মাস পর তিমির কঙ্কালগুলো তুলে সংরক্ষণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন