বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, সুজন খানের টিনের ঘরে মোট তিনটি কক্ষ। এর একটিতে নবজাতককে নিয়ে থাকতেন সুজন-শান্তা দম্পতি। অন্য দুটির একটিতে সুজনের আগের সংসারের দুই বছর বয়সী একটি মেয়েকে নিয়ে সুজনের দাদা-দাদি এবং অন্যটিতে সুজনের বোন, ভগ্নিপতি ও তাঁদের একটি মেয়ে থাকত। ঘরের কোনো দরজা ভাঙা ছিল না। ঘরের টিনের দরজাটি লোহার শিকল দিয়ে লাগানো হতো, যা চেষ্টা করলে ঘরের বাইরে থেকেও খোলা সম্ভব।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ঠাকুর দাস মণ্ডলকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি জানার পর থেকেই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ করছি। কয়েকটি বিষয়কে সামনে নিয়ে তদন্ত চলছে। শিশুটিকে উদ্ধার ও এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন