বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাতে সুবর্ণচরের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। এতে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে থাকে। বিষয়টি স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জানানো হলেও তারা লাইন মেরামত না করেই বিদ্যুৎ লাইন চালু করে। ফলে আজ দুটি নিরীহ তাজা প্রাণ অকালে ঝরে গেল। এ ঘটনার খবর জানানোর পরও পল্লী বিদ্যুতের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেননি।

পল্লী বিদ্যুৎ সুবর্ণচর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পূর্বচরবাটায় তার ছিঁড়ে যাওয়ার বিষয়টি তাঁদের কেউ অবহিত করেননি।

পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে। নিরাপত্তার কারণে কর্মীরা আপাতত সেখানে কাজ করতে যাচ্ছেন না। ঘটনা স্বাভাবিক হলে ছেঁড়া বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করে দেওয়া হবে।

নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গোলাম মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার তদন্তে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনে যাঁদের গাফিলতি পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সুবর্ণচরের ভূঞারহাট পুলিশ ফাঁড়ি থানার ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শাহ্ আলম। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন