শ্রমিকদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিআরটিএ কার্যালয়ে যান সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজি ময়নুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মুহিম। অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তাঁরা বিআরটিএ কার্যালয় সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. সানাউল হক ও রেকর্ড কিপার দেলোয়ারের অসদাচরণের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে অন্য শ্রমিকেরা বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সভা করেন। এ সময় শ্রমিকেরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সানাউল ও দেলোয়ারকে প্রত্যাহারের দাবি জানান। দাবি না মানলে আগামী রোববার সকাল থেকে জেলায় পরিবহন কর্মবিরতি পালনেরও ঘোষণা দেন।

প্রতিবাদ সভায় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজি ময়নুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মুহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আবদুস শহিদ, সদস্য মকবুল হোসেন বাদল, জসিম উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বিআরটিএ কর্মকর্তা মো. সানাউল হক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবহনশ্রমিক নেতারা ভুল ও অসত্য কথা বলছেন। আসলে গতকাল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি হাজি ময়নুল ইসলামের ছোট ভাই অন্য আরেকজনের সিএনজি অটোরিকশার মালিকানা বদলসংক্রান্ত কাজে বিআরটিএ কার্যালয়ে এসেছিলেন। সেখানে বিক্রয় রসিদসহ কিছু জায়গায় আগের মালিককে স্বাক্ষর করতে হয়। যখন তিনি স্বাক্ষর করেন, তখন দুই জায়গায় দুই ধরনের স্বাক্ষর দেন। এ নিয়ে কথার জের ধরে সভাপতির ছোট ভাই ক্ষিপ্ত হন।’

সানাউল হক আরও বলেন, ‘ক্ষিপ্ত হয়ে ময়নুল ইসলামের ছোট ভাই ঘটনাটি তাঁকে জানালে আজ শ্রমিক সংগঠনের অনেক নেতা এসে আমাদের সঙ্গে বাজে আচরণ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে কার্যালয়ের সামনে সভা করে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন