বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুধবার বেলা সাড়ে তিনটায় শহরের শেখ জামাল স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা হয়। এতে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড ২ নম্বর ওয়ার্ডকে ১-০ গোল হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ৩২ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিনার। পরে বিজয়ী ও রানারআপ দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা।

ফরিদপুর পৌরসভা আয়োজিত পৌর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামীম হক। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র শেখ মাহাতাব আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরুর আগে মঞ্চের পশ্চিম পাশে ঠেলাঠেলি ও আগে যাওয়া নিয়ে দুই দল যুবকের মধ্যে হাতাহাতি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যুবলীগের এক নেতার সঙ্গে এক কাউন্সিলরের ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও ঘুষাঘুষির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নেতাদের হস্তক্ষেপে ওই হাতাহাতির অবসান হলেও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্যে আবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংসদ যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন আনুমানিক দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু মঞ্চটি ভেঙে পড়ে। এ সময় দু-একজন সামান্য আহত হলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ নিক্সন বলেন, সন্ত্রাস ও মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বেশি বেশি খেলার আয়োজন করত হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম বিপথে যাওয়ার পরিবর্তে খেলায় সময় কাটাতে পারে। খেলা একই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক মেধার বিকাশ ঘটায়।

সাংসদ আরও বলেন, ফরিদপুরের দানবের পতন হয়েছে। আর কোনো দানবের যাতে জন্ম না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ফরিদপুর পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে ফরিদপুর পৌরসভার আয়োজনে এ টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন