বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, যে স্থানে ৮০ জনকে একত্র করে হত্যা করা হয়, সেই ভূমির মালিক ছিলেন শহীদ শামসুল হক। দুই সন্তান নিয়ে অতিকষ্টে দিনযাপন করেছেন তাঁর স্ত্রী মালেকা খাতুন। পরে ২০০৪ সালে মালেকা খাতুন ওই ১৫ শতক ভূমি বিটঘর বধ্যভূমির নামে লিখে দেন।

পরে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খানের প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে ওই স্থানে ‘বিটঘর গণহত্যায় শহীদ স্মৃতিসৌধ’ গড়ে তোলা হয়। সেখানে ৮০ জন শহীদদের নামসংযুক্ত আটটি ফলক নির্মাণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০২০ সালে কয়েকবার উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করে তা বাতিল করা হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী ও সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আনোয়ার হোসেন বলেন, তাঁরা চান বিটঘর বধ্যভূমি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হবেন জেলা প্রশাসক। আর উদ্বোধন করবেন জমিদাতা শহীদজায়া মালেকা খাতুন। নাহলে তাঁরা অনুষ্ঠান বর্জন করবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক বলেন, বিটঘর গণহত্যা দিবস পালনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ যথাযথভাবে দিবসটি পালন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন