default-image

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় এক গৃহবধূ (১৯) তাঁর দুই ভাশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। আজ শনিবার সকালে স্থানীয় থানায় মামলাটি হয়। এরপর থেকেই ওই দুই ভাশুর পলাতক।

ওই গৃহবধূর দাবি, বিষয়টি জানানোর পর স্বামী ও শাশুড়ি তাঁকে চুপ থাকতে বলেন।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে ওই গৃহবধূর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বড় ভাশুর ওই নারীকে বিভিন্ন সময় বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। প্রথমে ওই গৃহবধূ লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখেন। কয়েক মাস আগে মেজ ভাশুরও তাঁকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই গৃহবধূ নানার বাড়িতে চলে যান। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে স্থানীয় থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

ওই গৃহবধূ ফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর স্বামী ও ভাশুরেরা তিন ভাই। স্বামী সবার ছোট। ভাশুরেরা বিয়ে করেননি। স্বামী কাজে চলে গেলে, শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়িতে না থাকলে প্রায়ই তিনি বাড়িতে একা থাকতেন। এই সুযোগে প্রথমে বড় ভাশুর তাঁকে একদিন ধর্ষণ করেন। লোকলজ্জার ভয়ে তিনি কাউকে বিষয়টি বলেননি। পরে তাঁকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করেন। এরপর মেজ ভাশুরও একদিন ধর্ষণ করেন। তিনি বিষয়টি স্বামী ও শাশুড়িকে জানান। তাঁরা তাঁকে এ ব্যাপারে কাউকে কিছু না বলে চুপ থাকতে বলেন। এরপরও তিনি কয়েকবার তাঁদের ধর্ষণের শিকার হয়ে নানাবাড়ি চলে যান। বাবার বাড়ির লোকজনের কাছে বিষয়টি জানালে তাঁরা মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন।

বিষয়টি স্বামী ও শাশুড়িকে জানান। তাঁরা তাঁকে এ ব্যাপারে কাউকে কিছু না বলে চুপ থাকতে বলেন।
মামলার বাদী

মামলার পর থেকে দুই আসামি পলাতক। আর ওই গৃহবধূর স্বামীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ জেড এম মাসুদুজ্জামান বলেন, আগামীকাল রোববার সকালে ওই গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠানো হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য পড়ুন 0