বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্যিক) এস এম আশিকুর রহমান বলেন, সি-ট্রাকের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের দায়িত্ব ইজারাদারের। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির চার্টার্ড ফেরিসেবার ইজারাদার জাহিদুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি এক লাখ টাকা খরচ করে মেরামত করেছেন। কিন্তু নদীতে নাব্যতাসংকটের কারণে তা চালু করা যাচ্ছে না। নদী খনন করা দরকার। তা না হলে ফেরি চালু রাখা কঠিন।

তবে সি-ট্রাকটির মাস্টার সুমন জানিয়েছেন, সবশেষ বিকল হওয়ার পর উদ্ধারকারী নৌযান দিয়ে সি-ট্রাকটি মাঝনদী থেকে টেনে ডাকাতমারা চরে নেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিসির প্রকৌশলীরা ইঞ্জিন মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের চাহিদা দেন ইজারাদারকে, কিন্তু এখন পর্যন্ত ইঞ্জিন সারানো হয়নি।

অতিরিক্ত টোল

ফেরিসেবার ইজারাদার জাহিদুর রহমান দাবি করেছেন, সি-ট্রাক চলাচলে বড় বাধা যাত্রী পারাপারে টোল আদায়ের নামে ঘাটের ইজারাদারের বেপরোয়া চাঁদাবাজি। ইচ্ছেমতো টোল আদায়ের কারণে সি-ট্রাক ইজারা নিয়ে লাগাতার লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে।

জাহিদুরের অভিযোগ, ঘাটে যাত্রী পারাপারে সরকারনির্ধারিত টোলের হার মাথাপিছু ৭ টাকা, অথচ ঘাটের ইজারাদার আদায় করছেন ৪০ টাকা। সি-ট্রাকে একজন যাত্রী পারাপারে ভাড়া আদায় হয় ১০০ টাকা। ৪০ টাকা ইজারাদারকে দেওয়ার পর ৬০ টাকায় খরচই ওঠে না।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা পরিষদের খেয়াঘাট ইজারাদার শাহাদৎ হোসেন বলেন, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। বগুড়া জেলা পরিষদ থেকে বেঁধে দেওয়া টোলের হার অনুযায়ী, কালীতলা খেয়াঘাট থেকে জামথল ঘাট পর্যন্ত একজন যাত্রী পারাপারে ৪৯ টাকা টোল আদায় করার করার কথা। সেখানে আদায় করা হয় ৪০ টাকা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন