বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত তিন কিশোর হলো হাফিজাবাদ ইউনিয়নের জিয়াবাড়ি-খালপাড়া এলাকার তারেক বিল্লাহর ছেলে মাহবুবার রহমান (১৭), আব্বাস আলীর ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (১৬) ও পয়গাম আলীর ছেলে নতুন ইসলাম (১৬)। তাদের মধ্যে মাহবুবার স্থানীয় হাফিজাবাদ দ্বারিকামারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছে এবং আবু বক্কর একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ে। আর নতুন ইসলাম ঢাকায় চাকরি করে।

দুর্ঘটনায় অন্য মোটরসাইকেলে থাকা একই ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকার পমুল ইসলাম (২১) ও মো. রাজু (১৭) আহত হয়েছে। পমুলকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং রাজু স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি ঈদের ছুটিতে নতুন ইসলাম বাড়িতে আসে। আজ বিকেলে সে প্রতিবেশী মাহবুবার ও আবু বক্করকে নিয়ে মোটরসাইকেলে তালমা-মডেলহাট সড়ক দিয়ে মহারাজার দিঘিতে বেড়াতে যাচ্ছিল। এ সময় পুকরীরডাঙ্গা-বালুরঘাট এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। নতুন ইসলামদের মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশের গাছে ধাক্কা লাগায় তারা গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই তিন কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাব্বির হোসেন (২২) নামের এক তরুণ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি পুকুরীরডাঙ্গা এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। এ সময় বালুরঘাট এলাকায় দেখি তিনটি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাদের পাশেই দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া দুটি মোটরসাইকেলও পড়ে ছিল। পরে স্থানীয় লোকজনসহ একটি মাইক্রোবাসে তিনজনকে তুলে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক জানান, তিনজনই মারা গেছে।’

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ মিঞা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন কিশোরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই তিন কিশোরের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন