বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরিফের বাড়ি উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ইমাম নগর এলাকায়। তিনি ওই ইউনিয়নের টোব্যাকো গেট এলাকার একটি ফার্মেসিতে চাকরি করেন। রাব্বি থাকেন চট্টগ্রাম নগরের অলংকার মোড় এলাকায়।

অপহরণের ঘটনাটি পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে উদ্ধারকাজও শুরু করেছিল। রাত ‌১২টার দিকে অপহৃতরা বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আশরাফুল করিম, সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

আরিফের ভাই নাজিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দুপুর একটার দিকে আরিফের মুঠোফোন থেকে ফার্মেসির মালিক ও তাঁর কাছে ফোন করেন আরিফ। অপহরণের বিষয়টি আরিফ জানান। এ সময় অপহরণকারীরা আরিফের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ওই ফোনে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে দুই ধাপে তাঁরা ৩৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান।

বাড়ি ফেরার পর গতকাল রাত ১২টার দিকে কথা হয় আরিফের সঙ্গে। তাঁর ভাষ্য, চট্টগ্রাম নগরের অলংকার মোড়ে দাঁড়িয়ে মাইক্রোবাসে যাত্রী নিচ্ছিলেন এক চালক। ওই গাড়িতে আগে থেকে চারজন যাত্রী বসে ছিলেন। সেখানে তাঁরাও ওঠেন। গাড়িটি সীতাকুণ্ড পৌর সদর পার হলে মাইক্রোবাসে যাত্রীবেশে থাকা চারজন তাঁর ও রাব্বির হাত–মুখ বেঁধে ফেলেন। পরে একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখে পরিবারের কাছে মুক্তিপণের টাকার জন্য ফোন দিতে বলেন। তাঁর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ও তাঁর বন্ধুর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ পেয়ে অপহরণকারীরা তাঁদের নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামের বাসে তুলে দেন।

সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, অপহরণের ঘটনাটি পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে উদ্ধারকাজও শুরু করেছিল। রাত ‌১২টার দিকে অপহৃতরা বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন