বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই দিনই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার তেরানগর গ্রামের মো. ফরহাদ আহমদ (৩৬), রামনগর গ্রামের মো. নূর হোসেন (২৩), সুজাতপুর গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন (২৪) ও আমির উদ্দিনকে (২৩) আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার।

এর আগে ওই দুই রোহিঙ্গা সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্থানীয় কাউন্সিলর হোসেন আহমদের সুপারিশে পৌরসভা থেকে জন্মসনদ নিয়েছিলেন। এ মামলায় গত ২১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এতে এজাহারভুক্ত চার আসামি ছাড়াও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় সুনামগঞ্জের কাউন্সিলর হোসেন আহমদ, পৌরসভার সহকারী কর আদায়কারী পীযূষ কান্তি তালুকদার, পৌরসভার জন্ম–মৃত্যুনিবন্ধক ও স্যানিটারি পরিদর্শক মো. সেলিম উদ্দিন, মেয়র নাদের বখত ও আইনজীবী কাওসার আলমকে যুক্ত করা হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরসহ ওই কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন। পরে আইনজীবী কাওসার আলম সেটি সত্যায়ন করেছেন।

এ বিষয়ে মেয়র নাদের বখত বলেছেন, যে ঘটনায় তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে, সেটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যখন এসব সনদ দেওয়া হয়, তখন তিনি ঢাকায় ছিলেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন কাউন্সিলর হোসেন আহমদ। তাই রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় তিনি কোনোভাবেই যুক্ত নন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন