বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনার সময় শামসুল হক হাওরে মাছ ধরার কাজে ছিলেন। পরে তিনি বাড়িতে এসে দেখেন, ঘরে তিনজন ছটফট করছেন। পরে প্রতিবেশীদের ডেকে তাঁদের দ্রুত শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। আঁখি আক্তারের অবস্থা গুরুতর ছিল। তাঁকে সিলেটে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

সোমবার রাতে দুই ছেলের অবস্থার অবনতি হলে তাদেরও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার দুপুরে রবিউল মারা যায়।

রবিউলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ সবকিছুই খতিয়ে দেখছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন