মানববন্ধনে সুরমা সেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া জয়নব খাতুন বলেন, ‘সুরমা সেটের প্রশ্নপত্রে ৮০টির জায়গায় প্রশ্ন ছিল ৮৩টি। এর মধ্যে ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নম্বর প্রশ্ন দুইবার করে (ডাবল) ছিল। ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্ন থাকায় উত্তরপত্রের ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ক্রমিকের উত্তরের সঙ্গে কোনটির নিরীক্ষা হবে, সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রের দায়ভার কী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের নিতে হবে?’

মেঘনা সেটে পরীক্ষা দেওয়া চাকরিপ্রত্যাশী রায়হান কিবরিয়া বলেন, মেঘনা সেটের প্রশ্নপত্র স্বল্পতার কারণে চাকরিপ্রত্যাশীদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনেক পরীক্ষার্থী প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষার্থীদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র জেনে সমাধান সংগ্রহ করে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ফলে মেধা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। এ অবস্থায় মেঘনা সেটের প্রশ্নপত্রে অংশ নেওয়া চাকরিপ্রত্যাশীদের পুনরায় পরীক্ষায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম নবী প্রথম আলোকে বলেন, সুরমা সেটের প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন। মেঘনা সেটের প্রশ্নপত্র স্বল্পতার কারণে ৩৯২টি প্রশ্নপত্র গোপনীয়তার সঙ্গে ফটোকপি করে বাদ পড়া ব্যক্তিদের দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সার্বিক বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হন, সেদিকে নজর রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর প্রথম আলোকে বলেন, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় লালমনিরহাটে ১৫ হাজার ১৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৮৭৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৭২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন