কফিলুরের স্ত্রী সাহেরা বেগম বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর ঝাকুয়াটারী সেতুর পাশে বাঘের মতো দুটি প্রাণীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন অনেকে। ওই গ্রামের মইদাম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল মাগরিবের পর তিনি তাঁর বাগানে কালো ডোরাকাটা চিতাবাঘসদৃশ দুটি প্রাণী দেখতে পেয়েছেন। তবে প্রাণী দুটি চিতা বাঘ না অন্য কোনো প্রাণী, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাঁরা বন বিভাগকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এলাকাটি ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা ফাঁকা জায়গা ও নির্জন। সে জন্য অনেক সময় মেছো বাঘ ঢোকে। তিনি এলাকাবাসীকে প্রাণী দুটিকে হত্যা না করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানান।

কুড়িগ্রাম বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলে বন বিভাগের লোকজন ও বিজিবির সদস্যরা আছেন। এখন পর্যন্ত বাঘসদৃশ কোনো প্রাণী খুঁজে পাওয়া যায়নি। গ্রামবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ভূরুঙ্গামারী সীমান্তে আট বছর আগে বাঘ দেখা গিয়েছিল। পুনরায় বাঘ দেখা দিলে তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন