বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই নৌবন্দর থেকে আজ রাতে ১০টি লঞ্চ ছেড়ে যাবে। এগুলো হচ্ছে পারাবাত-৯, ১০ ও ১২, কীর্তনখোলা-১ ও ২, সুরভী-৮, ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার, মানামী এবং সুন্দরবন–১১।
সুন্দরবন লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুর রহমান  বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে লঞ্চের টিকিট আগাম বিক্রি করা হয়েছে। কোনো টিকিটই বাকি নেই। ডেক ছাড়া আমাদের কাছে কোনো কেবিনের টিকিট নেই।’

সড়কপথেও যাত্রীদের ভিড়, চলছে অননুমোদিত যান
শুধু লঞ্চ নয়, আজ সকাল থেকেই ভিড় ছিল নগরের বাসস্ট্যান্ডেও। যাত্রীর চাপ এত বেশি যে অনেকেই বাসের টিকিট পাননি। তাই কেউ কেউ তিন চাকার টেম্পো, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রায় ওঠে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। এমনিতে মহাসড়কে এসব গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া হয় না। তবে এখন চলছে।

নগরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, অনেক যাত্রী বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। সাকুরা বাস কাউন্টারের সামনে টিকিটের জন্য অপেক্ষমাণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সফিকুল সজীব নামে এক যাত্রী বলেন, ‘টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন। জানি না শেষ অবধি টিকিট মিলবে কি না। লঞ্চে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু টিকিট নেই। ডেকে শুয়ে যাব, সে অবস্থাও নেই। গাদাগাদি-ঠাসাঠাসি অবস্থা।’

মাওয়ার উদ্দেশে তিনচাকার যানে উঠেছেন আকলিমা বেগম নামের এক নারী। তিনি বলেন, ‘বাসের টিকিট পাইনি। বাধ্য হয়ে তিন চাকার যানে উঠেছি। এতে ঝুঁকি আছে। কিন্তু কোনো উপায় নেই। তিন চাকার যানে বরিশাল থেকে মাওয়া পর্যন্ত যাত্রীপ্রতি ৮০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে সারা দেশেই মানুষের অবাধ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার।  এই পরিস্থিতিতে এবার ঈদে বাড়ি যাওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে সরকার হঠাৎ করেই ১৫ জুলাই থেকে ৮ দিনের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করে। চালু হয় লঞ্চ ও গণপরিবহন। বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও সরকারি নির্দেশনায় বলা  হয়, ২৩ জুলাই থেকে আবার বন্ধ হয়ে যাবে মানুষের চলাচল, বিপণিবিতান, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন