বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অবশ্য সেই ভোটের ফল শরীফুল ইসলাম মেনে নেননি। তাঁর দাবি, তিনি ১৪ হাজার ৮০০ ভোট বেশি পেয়েছিলেন। ওই ভোটের ফল বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন নির্বাচন কমিশনে। সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি সুরাহা করতে পারেননি। এবার তিনি পাঁচন্দর ইউপির প্রার্থী হলেন।

এ বিষয়ে শরীফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর রাজনীতিটা যাতে নিষ্কণ্টক হয়, সেই জন্য তিনি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের আশা ছেড়ে দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করছেন। ইতিমধ্যে তিনি ওয়ার্কার্স পার্টিও ছেড়ে দিয়েছেন।

কেন আবার দল বদল করলেন, জানতে চাইলে শরীফুল বলেন, দলে থেকে তিনি তাঁর সমর্থকদের রক্ষা করতে পারছিলেন না। এ জন্য তিনি সশরীর ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশার কাছে গিয়েছিলেন। তিনি পরে কথা বলতে চেয়েছেন। তাঁর দিক থেকে সাড়া না পেয়ে তিনি আওয়ামী লীগে ফিরে এসেছেন। দলে ফিরলেও তিনি দলের মনোনয়ন চাননি। তিনি বলেন, স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ভালো নয়। তাঁকে মনোনয়ন দেবেন না, এটা তিনি জানেন। এ জন্য তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

শরীফুল ইসলামের ভাষ্য, তাঁর দাদা ১০২ বছর আগে পঞ্চায়েত ছিলেন। তাঁর বাবা চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর বড় ভাই এই ইউনিয়নের দুই মেয়াদের চেয়ারম্যান ও পরে ইউনিয়নের অংশবিশেষ ও বাধাইড় ইউনিয়নের অংশবিশেষ নিয়ে পৌরসভা হলে দুই মেয়াদের মেয়রসহ ২২ বছর জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তিনি নিজে তানোরে যুবলীগ ও কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তাঁর ৪৬ বছরের রাজনৈতিক জীবন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি যে পরিমাণ ভোট পাবেন, নৌকা ও বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মিলে সেই পরিমাণ ভোট পাবেন না।

পাঁচন্দর ইউনিয়নে ২২ হাজার ৬২ ভোটার। এবার এই ইউনিয়নের নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল মতিন। এ ছাড়া ‘চশমা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম এবং ‘হাতুড়ি’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা শিমুল রানা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন