বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমদাদুল হক ও তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় চণ্ডীগড় বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা শেষে কেরনখলা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় নৌকার প্রার্থীর লোকজন তাঁদের গতি রোধ করে নির্বাচনী প্রচারণার মাইক ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। প্রতিবাদ করতে গেলে নৌকার প্রার্থীর লোকজন তাঁদের মারধর করে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এমদাদুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাঁর লোকজন আমার নির্বাচনী প্রচারে বাধা, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলাসহ নানাভাবে হেনস্তা করছেন। গতকাল তাঁরা আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছেন। আহত ব্যক্তিরা এখন হাসপাতালে ভর্তি।’

default-image

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আলতাবুর রহমান বলেন, তাঁর কোনো কর্মী-সমর্থকেরা কারও ওপর হামলা করেননি। গতকালের হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

এদিকে ঘটনার পর ওই দিন রাতেই এমদাদুল হকের কর্মী ফরিদ উদ্দিন ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনুর এ আলম বলেন, গতকাল রাতে ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে আইন আনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল ওই ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন