default-image

দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহন চালুর দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন পরিবহনমালিক ও শ্রমিকেরা। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের শিরোইল এলাকার শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান বাস টার্মিনাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তাঁরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভা হয়। তাঁরা সেখানে চার দফা দাবির কথা তুলে ধরেন।

পরিবহনশ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে, সড়ক পরিবহনশ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্যসহায়তা দিতে হবে এবং সারা দেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহনশ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল দিতে হবে।

পথসভায় রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী বলেন, তাঁরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে সব গাড়ি বন্ধ রেখেছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এই চলমান লকডাউনে দোকানপাটসহ সবকিছুই খোলা রয়েছে। মানুষজন বিভিন্ন উপায়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে রাজশাহীতে আসছেন এবং এখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন। কিন্তু এ অবস্থায় শুধু পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে পরিবহন খাতে জড়িত রাজশাহীর প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার এখন দিশেহারা। তাঁদের জীবিকা থেমে গেছে।

বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এ খাতের মানুষেরা। আয়শূন্য এসব মানুষ খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালানোর দাবিতে আজ শ্রমিকেরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

মাহাতাব হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু করা হলে মানুষের ভোগান্তিও যেমন কমবে, তেমনি শ্রমিকেরাও দুবেলা দুমুঠো ভাত খাওয়ার টাকা জোগাড় করতে পারবেন। তাই অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন ও দূরপাল্লার বাস চালুর জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁদের চার দফা দাবি বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানান তিনি। সমাবেশে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েক শ শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন