বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় সরকার। পরিবহন বন্ধ রেখে অফিস খোলা রাখায় ভোগান্তিতে পড়েন চাকরিজীবীরা। এই সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার শুধু সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ঈদের আগে সিটি করপোরেশনসহ জেলার ভেতরে পরিবহন চালুর ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত আসে। এ কারণে ঈদ সামনে রেখে মানুষ বাস ছাড়া অন্য পরিবহনগুলোতে করে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফেরে। ঈদের আগে কিছু জায়গায় অবশ্য বাস চলতেও দেখা গেছে।

রাজশাহীতে বিক্ষোভ শেষে পরিবহন নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন বন্ধ থাকায় তাঁদের ২০ হাজার পরিবারে আজ ঈদ ছিল না। মালিক–শ্রমিক কেউই পরিবারকে কিছু কিনে দিতে পারেননি। কোনো রকমে পেট চালানোও তাঁদের কঠিন হয়ে পড়েছে। করোনার এই পরিস্থিতিতে দূরপাল্লার পরিবহন ছাড়া আর সবকিছুই খোলা রয়েছে।

রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের দিন তাঁরা দূরপাল্লার বাস চালুর দাবিতে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল করে দুপুর ১২টার দিকে কর্মসূচি শেষ করেন। তবে তাঁরা ১৬ মে থেকে দূরপাল্লার বাস চালু করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, বাসমালিক ও শ্রমিকেরা ১৬ মে থেকে দূরপাল্লার বাস চালুর দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, বাস চালু করা গেলে মানুষের ভোগান্তি অনেক কমে যাবে। পরে তাঁরা দুপুর ১২টার দিকে তাঁদের আজকের কর্মসূচি শেষ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন