বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তৃণমূলের বর্ধিত সভায় ভোটে প্রথম হয়েছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম কামরুজ্জামান। দ্বিতীয় হয়েছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মফিজুল ইসলাম। কিন্তু শাহনাজ পারভীনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষুদ্ধ হন তৃণমূলের নেতা–কর্মীরা।

প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে যাঁরা নৌকার বিপক্ষে এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন, তাঁদের নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ইউনিয়নের কোনো নেতা–কর্মীর যোগাযোগ নেই। বক্তারা তৃণমূলের তালিকায় প্রথমে থাকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম কামরুজ্জামানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সদস্য মো. আবুল হোসেন, মহিউদ্দিন ফারুক, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল গাফফার, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নুরজাহান বেগম প্রমুখ।

মুঠোফোনে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বলেন, ‘গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন নৌকা প্রতীক পাওয়া শাহনাজ পারভীন। তাঁর নাম দেখে আমি তাজ্জব।’

অভিযোগ অস্বীকার করে শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। নেত্রী আমাকে মূল্যায়ন করেছেন। কুমিল্লা জেলায় আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পাওয়া একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী আমি। আমি বিএনপির রাজনীতি কখনো করিনি। মনোনয়ন না পেয়ে প্রতিপক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন